Home » ইতিহাস-ঐতিহ্য » আরাকানের ইতিহাস

আরাকানের ইতিহাস

যে অতীত সু চি মুছে ফেলতে চান

আলতাফ পারভেজ (বাংলাদেশ)   লেখক: সাংবাদিক ও গবেষক বার্মার সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল মিন অং হ্লাইয়াং রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে তাঁর দেশের সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হতে বলেছেন। আর ২৫ আগস্ট আরাকানে জেনারেল মিন অংয়ের বাহিনীর অভিযানের পরপরই দেশটির ক্ষমতাসীন দলের প্রধান অং সান সু চি প্রথম যে বিবৃতি দিয়েছিলেন, তাতে রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে অভিহিত করে তাদের বার্মার নাগরিকত্ব অস্বীকার করেছিলেন তিনি। বার্মার বর্তমান …

বিস্তারিত

আরাকানের প্রধান প্রধান নদী

আরাকানে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নদী আছে যথা: নাফ (Naf), মায়ু (Mayu), কালাদান (Kaladan), লেমব্রু (Lembru), অনন (Ann), তানগু (Tangup) ও স্যান্ডোয়ে (Sandoway) প্রভৃতি। এর মধ্যে নাফ, কালাদান, লেমব্রু ও মায়ু আরাকানের প্রধান প্রধান নদী। নাফ নদী ছোট মনে হলেও বেশ খরস্রোতা। এটি বাংলাদেশ ও আরাকানের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমারেখা হিসেবে কাজ করে। নাফ নদীর পূর্বতীরে আরাকানের মংডু টাউনশীপ এবং পশ্চিমতীরে বাংলাদেশের …

বিস্তারিত

আরাকানের ভৌগোলিক অবস্থান

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তবর্তী একটি অঞ্চল আরাকান। এটি উত্তর অক্ষাংশের ২১°২০″ ও ১৬°২২″ এর মধ্যে এবং পূর্ভ দ্রাঘিমাংশে ৯২°২১″ ও ৯৫°২০″ এর মধ্যে অবস্থিত। এর উত্তরে চীন ও ভারত, দক্ষিণ ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর, উত্তর ও পশ্চিমে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ভ সীমান্তবর্তী নাফ নদীর মধ্যসীমা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম। পূর্বে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী ইয়োমা (Yoma) পর্বতমালা। এ সুদীর্ঘ, দুর্গম, সুউচ্চ ও বিশাল ইয়োমা পর্বতমালা দুর্ভেদ্য প্রাচীরের …

বিস্তারিত

রোহিঙ্গা ইতিহাস নিয়ে সাতটি বিচিত্র তথ্য

বার্মার আরাকান রাজ্যে সংখ্যালঘু মুসলমান রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন এখন বিশ্ব সংবাদ মাধ্যমগুলোর শিরোনাম। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ইতিহাস সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি? এখানে রোহিঙ্গা জাতির প্রায় ভুলে যাওয়া ইতিহাসের কিছু তুথ্য তুলে ধরা হলো: রোহিঙ্গাদের আবাসভূমি আরাকান ছিল স্বাধীন রাজ্য। ১৭৮৪ সালে বার্মার রাজা বোডপায়া এটি দখল করে বার্মার অধীন করদ রাজ্যে পরিণত করেন। আরাকান রাজ্যের রাজা বৌদ্ধ হলেও তিনি মুসলমান উপাধি গ্রহণ …

বিস্তারিত

রোয়াং/ রোহাং / রোসহাং (প্রাচীন আরাকান)

রোয়াং/রোহাং/রোসহাং পরিভাষাটি প্রাচীন কালের নিদর্শন বহন করে। এটি আরাকানের প্রাচীন নাম। সম্ভবত পরিভাষাটি আরবী শব্দ রাহমান (  رحم   ) হতে নির্গত যার অর্থ খোদার আশীর্বাদপুষ্ট ভূমি। আরব ও পারস্যের প্রাথমিক যুগের বণিকগণ এ নামটি “ভেসালী”র প্রাচীন রাজ্যের উপর আরোপ করেন। চন্দ্রায় আগমনের কমপক্ষে একশত বছর পূর্বে তারা ভেসালীয় রাজ্যে আগমণ করেন। জাহাজ দুর্ঘটনায় আরব বণিকগণ ভেসে ভেসে পশ্চিম আরাকান উপকূলের …

বিস্তারিত