Home » সংবাদ » আরাকানের খবর » আরাকানের মুসলমানদেরকে  মগের নাম ব্যবহার করতে বাধ্য করা হচ্ছে !
আরাকানে স্কুল পড়ুয়া রোহিঙ্গা ছাত্রী। মুসলমান হলেও ভর্তির সময় তাদের ব্যবহার করতে হয়েছে মগের সদৃশ নাম ।

আরাকানের মুসলমানদেরকে  মগের নাম ব্যবহার করতে বাধ্য করা হচ্ছে !

হাসান হাফিজ, আরাকান টিভি: 

বার্মার আরাকান রাজ্যের বুথিদং অঞ্চলের মুসলমানদেরকে মগ ও রাখাইনদের নামের সদৃশ নাম পরিবর্তনের চাপ দিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। ইসলামিক নাম পরিবর্তন করে মগের মত নাম না রাখলে, জীবিকা নির্বাহের কোন কাজ করতে দেয়া হবেনা বলেও ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন।

সূত্রে জানাগেছে, নামের শুরুতে “মোহাম্মদ” বা মাম্মদ বা সংক্ষেপে “মাদ” শব্দ উল্লেখ করতে বারণ করা হয়েছে। তাছাড়া অভিবাসী শণাক্ত কার্ড এনভিসিতে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নাম পরিবর্তন করে মগের সদৃশ নাম লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত রোহিঙ্গারা এনভিসি প্রত্যাখ্যান করে আসলেও, অনেক রোহিঙ্গা প্রশাসনের ভয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে।  

ভোক্তভূগি একজন জানিয়েছেন, আমার ইসলামিক নাম মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন। কিন্তু আমাকে মগের সদৃশ নাম রাখতে বাধ্য করা হয়েছে। এখন আমার নাম মংবাচিং । শুধু আমি নয়, সকলকে নাম পরিবর্তন করতে বলা হচ্ছে।

বাংলাদেশের ক্যাম্পে আশ্রিত প্রবীণ এক রোহিঙ্গা জানান, বার্মার রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে ইসলামিক নাম পরিবর্তন করে মগের মত নাম রাখতে বাধ্য করার প্রবণতা নতুন নয়। রোহিঙ্গার সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করাতে গেলে ইসলামিক নাম পরিবর্তন করে বার্মিজ ভাষায় মগের নাম দিতে হয়। ক্লিনিক, হাসপাতাল, অফিস, আদালতসহ সবখানে রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে পরিবর্তিত রাখাইন নাম ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

তিনি  উদাহরণ টেনে বলেন, রোহিঙ্গা নেতা তুংকিন, সাবেক এমপি শোয়েমংরা রাখাইন সদৃশ নামেই পরিচিতি লাভ করেছে । কারন আরাকানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নাম পরিবর্তন করতে বাধ্য করে প্রশাসন।  

facebook comments

আরো দেখুন

রোহিঙ্গাদেরকে বাংলাদেশে মগজ ধোলাই করা হচ্ছে’

  অনলাইন ডেস্ক, আরাকান টিভিঃ বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে অবস্থানরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *