Home » Breaking News » আরাকানে গণকবরের সংবাদ অস্বীকার করছে বার্মা
গণকবরের এক রোহিঙ্গার লাশ ভেসে ওঠেছে । ওই রোহিঙ্গাকে হত্যা করে মুখের উপর পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় সৈন্যরা । গুদাম পাড়া গণকবরের ভিডিও থেকে কর্তনকৃত ছবি

আরাকানে গণকবরের সংবাদ অস্বীকার করছে বার্মা

নিউজ ডেস্ক, আরাকান টিভি: 

আরাকানের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রাম গুদাম পাড়া (গু দার পাইন)  গ্রামে গণকবরের কথা অস্বীকার করেছে বার্মা। গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) আরাকানের গু দার পাইন গ্রামে পাঁচটির বেশি গণকবরের সন্ধান পাওয়ার খবর প্রচার করেছিল।

বার্মার সেনাবাহিনীর নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাক্ষাৎকার এবং তাদের সরবরাহ করা সময়-চিহ্নিত মোবাইল ফোন ভিডিও’র ভিত্তিতে গণকবরের সম্পর্কিত ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে এপি।

এপির খবর প্রকাশের দিনই যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিদার নুয়ার্ট বলেন, “আমরা গণকবরের খবরে খুবই উদ্বিগ্ন । আমরা ঘটনাটি খুবই সতর্কতার সঙ্গে নজরে রাখছি। মানবাধিকারের অপব্যবহার ও তা লঙ্ঘনে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করতে সহযোগিতা করাই আমাদের লক্ষ্য।”

পরদিন অং সান সু চির দপ্তর সংশ্লিষ্ট একটি সরকারি তথ্য কমিটি তাদের ফেইসবুক পাতায় দেওয়া এক বিবৃতিতে নতুন গণকবরের কথা অস্বীকার করে বলে জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এদিকে বার্মা অস্বীকার করলেও এপি এখনও গণকবর সম্পর্কিত প্রতিবেদনের পক্ষেই আছে বলে সংবাদ মাধ্যমটির জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক লরেন ইস্টন জানিয়েছেন। রয়টার্স থেকে এপি’র খবরের সত্যতা যাচাই করা হয়।

রয়টার্স গু দার পাইনের দুই বাসিন্দার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করলে তারা সেখানে গণকবর আছে বলে জানায়। বাংলাদেশের কক্সবাজারের বালুখালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীরাই রয়টার্সের প্রতিবেদককে গু দার পাইনের ওই দুই বাসিন্দার ফোন নম্বর দেয়।

টেলিফোনে তারা রয়টার্সের সঙ্গে কথা বললেও নিজেদের নাম পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি।

তারা বলেন, শুক্রবার বার্মার  সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা তাদের গ্রামে গিয়ে সেখানকার ছবি তুলেছে এবং গ্রামবাসীর সঙ্গে বৈঠক করেছে।

টেলিফোনে কথা বলা একজনের বাবাও ওই বৈঠকে ছিলেন, যেখানে সেনা কর্মকর্তারা গ্রামবাসীর কাছে সহিংসতায় কতজন নিহত

গু দার পাইনের অন্য অধিবাসীর ভাষ্য, শুক্রবার দুপুরের দিকে সেনাবাহিনীর তিন কর্মকর্তা গ্রামে এসে তাদের বাড়ির পাশের গণকবরের ছবি তোলেন এবং পরে গ্রামের স্কুলে বৈঠক ডাকেন।

তারা বলেন, ওই কর্মকর্তারা চলে গেছেন, কিন্তু এখনও অনেক সেনা কাছাকাছি অবস্থান করছেন, যে কারণে গ্রামবাসীরা আতঙ্কিত।

আরো দেখুন

রোহিঙ্গা নির্যাতনে জড়িত বর্মী জেনারেলদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি ইইউর

  অনলাইন ডেস্ক, আরাকান টিভিঃ আরাকানে রোহিঙ্গাদের নির্যাতনে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত বর্মী জেনারেলদের বিরুদ্ধে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *