Home » সংবাদ » আরাকানের খবর » ২০১৬ সাল থেকে রোহিঙ্গা বিনাশের পরিকল্পনা ছিল সেনাবাহিনীর

২০১৬ সাল থেকে রোহিঙ্গা বিনাশের পরিকল্পনা ছিল সেনাবাহিনীর

স্টাফ রিপোর্টার, আরাকান টিভি:

বার্মার আরাকানে ১৯৭৮ সাল থেকে রোহিঙ্গাদের নীপিড়ন চালাতে থাকে তৎকালীন জান্তা সরকার । অবশ্য ১৯৮২ সালে এক কালো আইনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার বিলুপ্ত করে। কিন্তু আরাকান থেকে রোহিঙ্গাদের শিকড় একেবারে বিনাশ করার ষড়যন্ত্র বছর দুয়েক আগের।  রোহিঙ্গা নিধন করতে বার্মিজ বাহিনী মরণ কামড় দেয়ার পরিকল্পনা নেয় ২০১৬ সালে ।

২০১৬ সালে বার্মার স্টেট কাউন্সেলর হিসেবে অং সান সু চির দায়িত্ব গ্রহণের চার মাস পরই দেশটির সেনাবাহিনী নির্যাতন চালায় আরাকান রাজ্যের রোহিঙ্গাদের ওপর। আরাকানের  মানচিত্র থেকে রোহিঙ্গাদের মুছে ফেলার প্রথম ধাপের কাজটি তখনই শুরু হয়। কিন্তু ২০১৬ সালে বার্মিজ সেনাবাহিনীর ওই পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বুঝতে ব্যর্থ হয়।

২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর আরাকানে সীমান্তে পুলিশের ছাউনিতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের কথিত হামলা হামলাকে ইস্যু বানিয়ে সেনাসদস্যরা রোহিঙ্গা–অধ্যুষিত গ্রামগুলো ঘিরে ফেলে এবং তাদের ওপর হত্যা, ধর্ষণ, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট শুরু করেন। ওই বছরের অক্টোবর থেকে পরের কয়েক মাসে অন্তত ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়

এরপর ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে আরাকান রাজ্যে রোহিঙ্গা গণহত্যায় আটঘাট বেঁধে নামে দেশটির সেনারা।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০১৫ সালের নভেম্বরে বার্মায় জাতীয় নির্বাচন হয়। দেশের লেবাসধারী গণতান্ত্রিক উত্তরণের পরবর্তী সময়টাকে ‘ভালো সুযোগ’ হিসেবে বেছে নেয় সেনাবাহিনী। সেনাশাসন থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের ওই সময়টাতে বার্মিজ বাহিনীর দূর্ভিসন্ধি বুঝতে সক্ষম ছিলনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

 

facebook comments

আরো দেখুন

জোর পূর্বক বার্মায় ঠেলে না দিতে ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের আন্দোলন

ক্যাম্প সংবাদদাতা, বাংলাদেশ :  আগামী বৃহস্পতিবার জোর পূর্বক বার্মায় ঠেলে না দিতে বাংলাদেশের ক্যাম্পে আন্দোলন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *